ঈমান ও ইসলাম

ঈমান হলো- অন্তরের বিশ্বাস, মৌখিক স্বীকারোক্তি এবং অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের আমল- এই তিনটি বিষয়ের সমষ্টির নাম

ঈমান ছয়টি স্তম্ভের উপর প্রতিষ্ঠিত আর তা হলো-

আল্লাহ্ তাআলার, তাঁর ফিরিশতাদের, কিতাব সমূহের, রাসূলগণের, আখিরাত (মৃত্যুর পর পুনরুত্থান) দিবসের এবং ভাগ্যের (তাকদীরের) ভাল মন্দের প্রতি ঈমান আনাএ প্রসংগে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা বলেনÑ

وَلَكِنَّ الْبِرَّ مَنْ آَمَنَ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآَخِرِ وَالْمَلَائِكَةِ وَالْكِتَابِ وَالنَّبِيِّينَ.

[سورة البقرة: الآية১৭৭]

অর্থঃ বরং প্রকৃতপক্ষে সৎকাজ হলো- ঈমান আনবে আল্লাহর উপর, কেয়ামত দিবসের উপর, ফিরিশতাদের উপর এবং সমস্ত নবী-রাসূলগণের উপর। [সূরা আল-বাক্বারা, ২:১৭৭ ]

তিনি আরো বলেনÑ

كُلٌّ آَمَنَ بِاللَّهِ وَمَلَائِكَتِهِ وَكُتُبِهِ وَرُسُلِهِ……

[سورة البقرة: الآية২৮৫]

অর্থঃ সবাই বিশ্বাস রাখে, আল্লাহর প্রতি, তাঁর ফিরিশতাদের প্রতি, তাঁর কিতাবের প্রতি এবং তাঁর নবীদের প্রতি, তারা বলে আমরা তাঁর রাসূলগণের মধ্যে কোন তারতম্য করি না। [সূরা আল-বাক্বারা ২:২৮৫]

তিনি আরো বলেনÑ

وَمَنْ يَكْفُرْ بِاللَّهِ وَمَلَائِكَتِهِ وَكُتُبِهِ وَرُسُلِهِ وَالْيَوْمِ الْآَخِرِ فَقَدْ ضَلَّ ضَلَالًا بَعِيدًا

[سورة النساء: الآية১৩৬]

অর্থঃ …এবং যে আল্লাহর প্রতি, তাঁর ফিরিশতাদের প্রতি, তাঁর কিতাব সমূহের প্রতি, তাঁর রাসূলগণের প্রতি, কেয়ামত দিবসের প্রতি ঈমান আনে না তারা চরম পথভ্রষ্ট হয়ে পড়বে। [সূরা আন-নিসা, আয়াত-১৩৬]

নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনÑ

الإيمان أن تؤمن بالله، وملائكته، وكتبه، ورسله، واليوم الآخر. وتؤمن بالقدر خيره .وشره

[رواه مسلم]

অর্থঃ ঈমান হলো- তুমি আল্লাহতে বিশ্বাস করবে, তাঁর ফিরিশতাগণে, কিতাব সমূহে, রাসূলগণে ও শেষ দিবসে (আখিরাতে) বিশ্বাস করবেএবং ভাগ্যের (তাকদীরের) ভাল মন্দের প্রতি বিশ্বাস করবে। [মুসলিম শরীফ, হযরত উমর ইবনুল খাত্তাব রাযিআল্লাহু আনহু বর্ণিত]

অন্তরের সাথে ঈমান সংশ্লিষ্ট বলতে স্রষ্টা, পালনকর্তা, পূর্ণতাদানকারী, জীবন-মৃত্যুর মালিক, শৃংখলাবিধানকারী একমাত্র আল্লাহ্, আল্লাহর জমীনে সার্বভৌমত্ব, আইন-বিধান ও নিরঙ্কুশ কর্তৃত্ব একমাত্র আল্লাহর, দাসত্ব, আইনের আনুগত্য ও ইবাদাতের অধিকারী একমাত্র আল্লাহ্, অন্য কেউ নয় এবং সুন্দরতম নাম ও মহান গুণাবলীর ক্ষেত্রে আল্লাহ তাআলার তাওহীদ বা একত্ববাদে বিশ্বাস স্থাপন করাকে বুঝায়ঈমান যা মুখের দ্বারা সম্পাদিত হয়, যেমন- যিকির, দো, সৎকাজের আদেশ, অসৎকাজের নিষেধ, কুরআন তিলাওয়াত ইত্যাদিঅনুরূপভাবে, অঙ্গ-প্রতঙ্গের কর্ম সমূহ ঈমানের অন্তর্ভুক্তযেমন- সালাত, সাওম, হজ্জ, আল্লাহর পথে জিহাদ, দ্বীনী শিক্ষার্জন ইত্যাদিঈমান আনুগত্যে বৃদ্ধি হয়, নাফারমানী ও অবাদ্ধতায় হ্রাস পায়আল্লাহ তাআলা বলেনÑ

إِنَّمَا الْمُؤْمِنُونَ الَّذِينَ إِذَا ذُكِرَ اللَّهُ وَجِلَتْ قُلُوبُهُمْ وَإِذَا تُلِيَتْ عَلَيْهِمْ آَيَاتُهُ زَادَتْهُمْ إِيمَانًا وَعَلَى رَبِّهِمْ يَتَوَكَّلُونَ – الَّذِينَ يُقِيمُونَ الصَّلَاةَ وَمِمَّا رَزَقْنَاهُمْ يُنْفِقُونَ – أُولَئِكَ هُمُ الْمُؤْمِنُونَ حَقًّا لَهُمْ دَرَجَاتٌ عِنْدَ رَبِّهِمْ وَمَغْفِرَةٌ وَرِزْقٌ كَرِيمٌ

অর্থঃ প্রকৃত ঈমানদার তারাই যখন তাদের নিকটে আল্লাহর নাম স্বরণীত হয় তখন তাদের অন্তর কেঁপে উঠেআর যখন তাদের নিকট তাঁর আয়াত পঠিত হয় তখন তাদের ঈমান বর্ধিত হয়তারা তাদের রব্বের উপরেই ভরসা করেআর যারা সালাত প্রতিষ্ঠা করে, এবং আমার প্রদত্ত রুযী হতে (আল্লাহর পথে) ব্যয় করেতারাই হল সত্যিকার ঈমানদার। [সূরা আল-আনফাল, ৮:২-৪]

আল্লাহ তাআলা আরো বলেনÑ

هُوَ الَّذِي أَنْزَلَ السَّكِينَةَ فِي قُلُوبِ الْمُؤْمِنِينَ لِيَزْدَادُوا إِيمَانًا مَعَ إِيمَانِهِمْ

অর্থঃ তিনি মুমিনদের অন্তরে প্রশান্তি নাযিল করেন, যাতে তাদের ঈমানের সাথে আরো ঈমান বেড়ে যায়। [সূরা আল-ফাতহ ৪৮:৪]

সুতরাং আনুগত্য ও নৈকট্যশীলতা যত বৃদ্ধি পায়, ঈমানও তত বৃদ্ধি পায়আর আনুগত্য ও নৈকট্যশীলতা যত হ্রাস পায় ঈমানও তত হ্রাস পায়যেমন- অবাধ্যতা ও নাফরমানী ঈমানে কু-প্রভাব ফেলে, যদি তা (নাফরমানী) বড় ধরনের শির্ক বা কোন কুফুরী কাজ হয় তাহলে আসল ঈমানকে ধ্বংস করে দিবেআর যদি ছোট ধরণের কোন নাফরমানী হয় তাহলে ঈমানের পরিপূর্ণতায় ঘাটতি আসে এবং তা কলুষিত ও দুর্বল হয়ে যায়

মহান আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তাআলা রাসূল মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে মানুষের মাঝে তাঁর মনোনীত দ্বীন ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য পাঠিয়ে ছিলেনআল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তাআলা দ্বীন ইসলাম প্রতিষ্ঠার মিশন বাস্তবায়নের প্রারম্ভেই নির্দেশ দিলেনÑ

يَا أَيُّهَا الْمُدَّثِّرُ

قُمْ فَأَنذِرْ

وَرَبَّكَ فَكَبِّرْ

অর্থঃ হে বস্ত্র আচ্ছাদিত হয়ে শয়নকারী! ওঠো অতঃপর সাবধান করে দাও এবং তোমার রব্বের শ্রেষ্ঠত্ব ঘোষণা করো। (আল মুদ্দাসসির ৭৪:১-২-৩)

আয়াতটির মাধ্যমে আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তাআলা প্রথমবারের মত তাঁর রাসূল মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে নবূওয়াতের বিরাট গুরুদায়িত্ব পালনের জন্য তৎপর হতে নির্দেশ দিয়েছেনআয়াতটিতে আল্লাহ্ নির্দেশ দিলেন- হে বস্ত্র আচ্ছাদিত হয়ে শয়নকারী তুমি ওঠো! [যেহেতু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হঠাৎ জিবরাঈল আলাইহিস সাল্লামকে আসমান ও পৃথিবীর মাঝখানে একটি আসনে উপবিষ্ট দেখে ভীত হয়ে পড়েছিলেন এবং সে অবস্থায় বাড়ীতে পৌঁছে বাড়ীর লোকদের বলেছিলেন- আমাকে চাদর দিয়ে আচ্ছাদিত করো! আমাকে চাদর দিয়ে আচ্ছাদিতো করো!! তাই আল্লাহ্ তাঁকে `ইয়া আইয়্যুহাল মুদ্দাস্সিরবলে সম্বোধন করেছেন] তোমার চারপাশে আল্লাহ্’র যেসব বান্দারা অবচেতন পড়ে আছে তাদের জাগিয়ে তোলযদি এ অবস্থায়ই তারা থাকে তাহলে যে অবশ্যম্ভাবী কঠিন পরিণতির সম্মুখীন তারা হতে যাচ্ছে সে সম্পর্কে তাদের সাবধান করে দাওতাদের জানিয়ে দাও, তারা এতদিন পৃথিবীতে যাদের শ্রেষ্ঠত্ব ও প্রতাপ মেনে চলেছে তাদের সবাইকে অস্বীকার করো এবং গোটা পৃথিবীর সামনে উচ্চ কণ্ঠে একথা ঘোষণা করো যে, বিশ্ব জাহানে এক আল্লাহ্ ছাড়া আর কারো কোন শ্রেষ্ঠত্ব ও সার্বভৌমত্ব নেইরাসূল মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তাআলা আরও নির্দেশ দিলেন-

 ادْعُ إِلَىٰ سَبِيلِ رَبِّكَ بِالْحِكْمَةِ وَالْمَوْعِظَةِ الْحَسَنَةِ ۖ وَجَادِلْهُم بِالَّتِي هِيَ أَحْسَنُ ۚ إِنَّ رَبَّكَ هُوَ أَعْلَمُ بِمَن ضَلَّ عَن سَبِيلِهِ ۖوَهُوَ أَعْلَمُ بِالْمُهْتَدِينَ 

অর্থঃ (হে নবী!) আপনি লোকদেরকে রব্বের পথের দিকে দাওয়াত দিন হিকমত (প্রজ্ঞা ও বুদ্ধিমত্তা) ও উত্তম নছিহতের (সদুপদেশ) মাধ্যমেআর লোকদের সাথে বিতর্ক করুন উত্তম পন্থায়আপনার রব্ব ভালোভাবেই জানেন কে ভুল পথে আছে আর কে সঠিক পথে আছে। (১৬ আন নাহল: ১২৫)

لِّكُلِّ أُمَّةٍ جَعَلْنَا مَنسَكًا هُمْ نَاسِكُوهُ ۖ فَلَا يُنَازِعُنَّكَ فِي الْأَمْرِ ۚ وَادْعُ إِلَىٰ رَبِّكَ ۖ إِنَّكَ لَعَلَىٰ هُدًى مُّسْتَقِيمٍ

আমি প্রত্যেক উম্মতের জন্য ইবাদতের একটি নিয়ম-কানুন নির্ধারণ করে দিয়েছি, যা তারা পালন করেঅতএব (হে নবী!) কাফিররা যেন কখনো এ বিধানের প্রচার কাজ হতে আপনাকে ফিরিয়ে রাখতে না পারেআপনি লোকদেরকে রব্বের দিকে দাওয়াত দিননিঃসন্দেহে আপনি সঠিক পথেই রয়েছেন। (আল হাজ্জ ২২:৬৭)

আল্লাহর নির্দেশ পাওয়ার পর রাসূল মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জাতির মানুষকে আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তাআলাকেই একমাত্র রব্ব মেনে নেওয়ার জন্য দাতয়াত দিতে লাগলেনকুরআনের ভাষায় রাসূলের ঈমানের দাওয়াত –

رَّبَّنَا إِنَّنَا سَمِعْنَا مُنَادِيًا يُنَادِي لِلْإِيمَانِ أَنْ آمِنُوا بِرَبِّكُمْ فَآمَنَّا ۚ رَبَّنَا فَاغْفِرْ لَنَا ذُنُوبَنَا وَكَفِّرْ عَنَّا سَيِّئَاتِنَا وَتَوَفَّنَا مَعَ

হে আমাদের রব্ব! আমরা নিশ্চিতরূপে শুনেছি একজন আহবানকারীকে ঈমানের প্রতি আহবান করতেতিনি বলছিলেন, হে লোকসকল! তোমরা তোমাদের রব্বের প্রতি ঈমান আনোঅতঃপর আমরা ঈমান এনেছিকাজেই হে আমাদের রব্ব! আমাদের সকল গোনাহ মাফ কর এবং আমাদের সকল দোষত্রুটি দুর করে দাও, আর আমাদের মৃত্যু দাও নেক লোকদের সাথে। (আলে ইমরান ৩:১৯৩)

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর পক্ষ থেকে আল্লাহকে একমাত্র রব্ব মেনে নেওয়ার দাওয়াত পাওয়ার পরও যারা আল্লাহকে একমাত্র রব্ব মেনে না নিয়ে ঈমান আনা হতে বিরত রইলো তাদের উদ্দেশ্যে আল্লাহ্ পাক বললেনÑ

وَمَا لَكُمْ لَا تُؤْمِنُونَ بِاللَّهِ ۙ وَالرَّسُولُ يَدْعُوكُمْ لِتُؤْمِنُوا بِرَبِّكُمْ وَقَدْ أَخَذَ مِيثَاقَكُمْ إِن كُنتُم مُّؤْمِنِينَ

তোমাদের কী হলো যে, তোমরা আল্লাহর প্রতি ঈমান আনছো না? অথচ রাসূল তোমাদেরকে তোমাদের রব্বের প্রতি ঈমান আনার জন্য দাওয়াত দিচ্ছেনআল্লাহ্ তো (রব্বের ব্যাপারে মানুষকে দুনিয়ায় পাঠানোর) পূর্বেই তোমাদের নিকট থেকে প্রতিশ্রুতি (অঙ্গীকার) নিয়েছেন; (অতএব আল্লাহকেই একমাত্র রব্ব মেনে নাও) যদি তোমরা ঈমানদার হও। (আল হাদীদ ৫৭:৮)

আয়াতটিতে রূহের জগতে আদম সন্তানগণ যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলো দুনিয়াতেও সে একই ওয়াদা পুরণ করে আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তাআলার প্রতি ঈমান আনতে বলা হচ্ছেঅর্থাৎ রব্বের ব্যাপারে মানুষকে দুনিয়ায় পাঠানোর পূর্বেই রূহের জগতে সকল আদম সন্তান যে সাক্ষ্য দিয়েছিলো তা দুনিয়াতে বাস্তবায়নই হচ্ছে ঈমানরব্বের ব্যাপারে মানুষকে দুনিয়ায় পাঠানোর পূর্বে সকল আদম সন্তানদেও সাক্ষ্য সম্পর্কে কুরআনে ইরশাদ হয়েছেÑ

وَإِذْ أَخَذَ رَبُّكَ مِن بَنِي آدَمَ مِن ظُهُورِهِمْ ذُرِّيَّتَهُمْ وَأَشْهَدَهُمْ عَلَىٰ أَنفُسِهِمْ أَلَسْتُ بِرَبِّكُمْ ۖ قَالُوا بَلَىٰ ۛ شَهِدْنَا ۛ أَن تَقُولُوا يَوْمَ الْقِيَامَةِ إِنَّا كُنَّا عَنْ هَٰذَا غَافِلِينَ

أَوْ تَقُولُوا إِنَّمَا أَشْرَكَ آبَاؤُنَا مِن قَبْلُ وَكُنَّا ذُرِّيَّةً مِّن بَعْدِهِمْ ۖ أَفَتُهْلِكُنَا بِمَا فَعَلَ الْمُبْطِلُونَ

অর্থঃ (হে মানবজাতি!) স্মরণ করো সেই সময়ের কথা, যখন তোমাদের রব্ব বনী আদমের পৃষ্ঠদেশ থেকে তাদের সন্তানদের বের করে এনেছেন এবং তাদেরকেই তাদের নিজেদের ব্যাপারে সাক্ষ্য রেখে বলেছেন, আমি কি তোমাদের একমাত্র রব্ব নই? তারা সবাই বললো- হ্যাঁ, আমরা সাক্ষ্য দিলাম (যে আপনিই আমাদের একমাত্র রব্ব)এই সাক্ষ্য আমি (আল্লাহ্) এ জন্যই নিলাম যে, হয়তো কেয়ামতের দিন তোমরা বলে বসবে যে, আমরা আসলে বিষয়টি জানতামই নাঅথবা তোমরা হয়তো বলে বসবে যে, আমরা তো দেখেছি আমাদের বাপ-দাদারা আগে থেকেই এই র্শিকি কর্মকান্ড করে আসছে (সুতরাং আমরা তো অপরাধী না, কারণ) আমরা তো তাদের পরবর্তী বংশধর মাত্র! তারপরও কি তুমি পূর্ববর্তী বাতিলপন্থীদের কর্মকান্ডের কারণে আমাদেরকে ধ্বংস করে দিবে? (সূরা আরাফ ৭:১৭২-১৭৩)

 

চলবে …

 
Advertisements

One thought on “ঈমান ও ইসলাম

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s