মদীনা সনদ কোন সংবিধান বা রাষ্ট্রীয় শাসণতন্ত্র নয়! এটি ছিল পারস্পরিক শান্তি চুক্তি, প্রতিজ্ঞা বা অঙ্গীকার!

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি উক্তির পর দেশে মদীনা সনদ নিয়ে সর্বত্র বিভিন্ন মতামতের বন্যায় দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়ে গেছে জাতি। তার উপর আবার সমাজে আলেম হিসেবে পরিচিত ব্যক্তিগণ এই চুক্তিকে প্রথম ইসলামী সংবিধান, বিশ্বের সবচেয়ে ইনসাফপূর্ণ রাস্ট্র ব্যবস্থার লিখিত দলিল, ইসলামী রাষ্ট্র পরিচালনার লিখিত দিক নির্দেশনা প্রভৃতি বিশেষণে উল্লেখ করার ফলে বিভ্রান্ত আরো চরমে উঠেছে। এরকম একটা গভীর, তাৎপর্য্যময় ও স্পর্শকাতর বিষয়ে সুত্রবিহীন বা উইকিপিডিয়া জাতীয় হালকা সূত্রের ভিত্তিতে মতামত দেয়া বিপজ্জনক। চলুন বিখ্যাত কিছু সূত্রের ভিত্তিতে দেখা যাক মদীনা সনদ আসলে কী?
আমরা এক্ষেত্রে যে সূত্রগুলো ব্যবহার করবো তা হলো: (১) নাবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য জীবনী সিরাত ইবনে হিশাম, ইবনে ইসহাক, (২) সহিহ বুখারী, (৩) সহিহ সুনানু আবু দাঊদ, (৪) ইমাম শফি’র বিখ্যাত কিতাব রিসালা (৫) ডঃ হামিদুল্লাহ’র বিখ্যাত বই দ্য ফার্স্ট রিটন কন্সটিটিউশন ইন দ্য ওয়ার্লড, (৬) মওলানা মুহিউদ্দিন খানের বাংলায় অনুদিত পবিত্র কোরআনুল করীম-সংক্ষিপ্ত তাফসীর, (৭) ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ কর্তৃক প্রকাশিত বিধিবদ্ধ ইসলামি আইন, (৮) দ্য পেনাল ল অব ইসলাম ও (৯) জনাব মওদুদী’র ৩টি বই “ইসলামিক ল অ্যাণ্ড কন্সটিটিউশন”, “হিউম্যান রাইটস ইন ইসলাম” ও “দ্য প্রসেস অব ইসলামিক রেভল্যুশন” (১০) মাসিক আল-কাউসার, মে’ ২০১৩ইং সংখ্যা।
নাবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ৬২২ ঈসায়ী সালে মদীনায় হিজরত করার পরের বছরই একটা দলিল তৈরি করে মদীনার অমুসলিমদের কাছে প্রস্তাব করেন। দলিলটি বিস্তারিত ধরা আছে “সিরাত”-এর ২৩১-২৩৪ পৃষ্ঠায়। এর নাম দ্য কভেন্যাণ্ট বিটুইন দ্য মুসলিমস অ্যাণ্ড দ্য মেডিনিয়ান্স অ্যান্ড দ্য জিউস অর্থাৎ মুসলিম ও মদীনাবাসী, এবং ইহুদিদের মধ্যে কভেন্যাণ্ট। কভেন্যাণ্ট শব্দের অর্থ সংবিধান বা শাসণতন্ত্র মোটেই নয়, অর্থ হল চুক্তি, অঙ্গীকার, প্রতিজ্ঞা, মুচলেকা যার ইংরেজী প্রতিশব্দ agreement, contract, treaty, promise, pledge ইত্যাদি। মূল আরবীতে এ-দলিলের নাম দেয়া আছে সহিফা। যার অর্থও সংবিধান বা শাসনতন্ত্র নয়, এর অর্থ হলো প্রোগ্রেসিভ ডকুমেণ্ট, অর্থাৎ ক্রমাগত বিবর্তনশীল দলিল। সিরাত থেকে ভাবানুবাদ-উদ্ধৃতি দিচ্ছি:
“মুজাহির ও আনসারদের বিষয়ে রাসূল একটি চুক্তি লেখেন যেখানে তিনি ইহুদিদের সাথে বন্ধুত্বসুলভ চুক্তি (friendly agreement) করেন এইভাবে- “ইহা রসূল মুহাম্মদের পক্ষ হইতে মুমিনগণ, কুরাইশ মুসলিমগণ এবং মদীনার যাহারা তাহাদের পরে আসিয়া যোগ দিয়াছে ও পরিশ্রম করিয়াছে তাহাদের ভিতরে সম্পর্ক স্থির করিতে। তাহারা সকলে এক উম্মাহ। এখানে বিশ্বাসী বলতে ইহুদি-খ্রীষ্টানকে বুঝায় কারণ তারা আল্লাহ-তে বিশ্বাস করে এবং মদীনায় যারা তাদের পরে আসিয়া যোগ দিয়াছে বলতে মুজাহিরদেরকে বুঝায়। ডঃ হামিদুল্লাহ’র বই দ্য ফার্স্ট রিটন কন্সটিটিউশন ইন দ্য ওয়ার্লড অর্থাৎ বিশ্বের প্রথম লিখিত শাসণতন্ত্র-এ মোট ৫২টি ধারার কথা বলা হলেও ৪৭টি ধারার উদ্ধৃতি আছে। তিনি বলেছেন:- “রাসূল একটি দলিল লিখেন যাতে শাসক/শাসিতের দায়িত্ব ও অধিকারের এবং অন্যান্য বিষয়ের বিবরণ ছিল…তিনি লিখেন একটি দলিল (Deed), যে দলিল নিজেই নিজেকে কিতাব বা সহিফা বলেছে”- পৃষ্ঠা ৪ ও ১২।  ইন্টারনেটে আমরা ৫৭টি পর্য্যন্ত ধারা পাই, সূত্র বিশেষে ধারাগুলোতে পার্থক্য আছে যার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্যও বিদ্যমান। এসব কারণে ইন্টারনেটকে নির্ভরযোগ্য সুত্র হিসেবে ধরা হয় না।
মাসিক আল-কাউসার, মে’ ২০১৩ইং সংখ্যায় লেখা হয়েছে- রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রথম ইসলামী রাষ্ট্রে বসবাসকারী বিভিন্ন ধর্মীয় ও গোত্রগত স¤প্রদায়ের জনগণের মাঝে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের লক্ষ্যে সকলকে একটি চুক্তির আওতায় নিয়ে আসলেন। যার মূল কথাগুলো ছিল নিম্নরূপ :
১. এটি ছিল মদীনায় ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠাকারী মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কর্তৃক সম্পাদিত একটি চুক্তি। ইয়াছরিবে (মদীনা) বসবাসকারী প্রায় সকল ধর্ম-গোত্রের মানুষকে এ চুক্তির অধীনে আনা হয়।
২. এ ভৌগলিক সীমায় বসবাসকারী লোকজন একই দেশে বসবাসকারী নাগরিক বলে গণ্য হবে।
৩. চুক্তির আওতাভুক্ত লোকজন যে, যে ধর্মেরই হোক একে অন্য থেকে জানমালের নিরাপত্তা পাবে (যতক্ষণ না সে চুক্তি ভঙ্গ করে)।
৪. কোন বিষয়ে বিরোধ পরিলক্ষিত হলে তার ফয়সালা করবেন আল্লাহ ও তার রাসূল অর্থাৎ কুরআন-সুন্নাহর বিধান অনুযায়ী তা মীমাংসিত হবে। (২৩ ও ৪২ নং দফা দ্রষ্টব্য)
৫. কোন কাফেরকে কোন মুমিনের বিরুদ্ধে সাহায্য করা যাবে না (ধারা ১৪)।
রাষ্ট্রীয় সংবিধান বা শাসণতন্ত্রের পরিধি অনেক ব্যাপক হতে হয়, অথচ চুক্তির ধারাগুলো লক্ষ্য করে দেখুন, ধারাগুলো প্রধানতঃ (১) যুদ্ধ ও শান্তিচুক্তি, (২) মুসলিম-অমুসলিমের পারস্পরিক সম্পর্ক ও (৩) বিচার-আচারে নবীজীর কর্তৃত্ব, প্রভৃতির মাঝে সীমাবদ্ধ। এর বহু প্রমাণ আছে শারিয়াপন্থীদের বইতেই। দেখুন, মওলানা মুহিউদ্দিন খানের অনুদিত পবিত্র কোরআনুল করীম, পৃষ্ঠা ৪৮, ৩৩৫ ও  ১৩৪৯তে- “রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মদীনা পৌঁছে রাজনৈতিক দূরদর্শিতার কারণে সর্বপ্রথম মদীনায় ও তৎপার্শ্ববর্তী এলাকায় বসবাসরত ইহুদী গোত্রসমূহের মধ্যে শান্তিচুক্তি সম্পাদন করেছিলেন। চুক্তিতে উল্লেখ করা হয়েছিল যে, ইহুদীরা মুসলমানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে প্রবৃত্ত হবে না এবং কোন আক্রমণকারীকে সাহায্য করবে না। তারা আক্রান্ত হলে মুসলমানগণ তাদেরকে সাহায্য করবে। শান্তিচুক্তিতে আরও অনেক ধারা ছিল…ওহুদ যুদ্ধ পর্যন্ত তাদেরকে বাহ্যত এই শান্তিচুক্তির অনুসারী দেখা যায়… রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মদীনায় আগমনের পর পার্শ্ববর্তী ইহুদী ও খ্রীষ্টানদের সাথে এই মর্মে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেন যে, তারা মুসলমানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে না…মুসলমানদের সাথে সম্পাদিত চুক্তিভঙ্গের অপরাধে বনী-কুরায়যা মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত ও বন্দি হয়েছে”। দেখা যাচ্ছে মদীনা সনদকে এখানে শাসণতন্ত্র বলা হয়নি, শান্তিচুক্তি-ই বলা হয়েছে। এমনকি শরীয়ার কিতাবও ওটাকে শাসণতন্ত্র বলেনি, বলেছে মদীনা চুক্তি এবং মদিনা সনদ: বিধিবদ্ধ ইসলামি আইন ৩য়  খণ্ড, পৃষ্ঠা ৩৬০। কথাটা আসলে অনেকে জানেও, যেমন দেখুন- “কাফিরদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে প্রিয় নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহ তা’আলার নির্দেশক্রমে মক্কা থেকে মদীনায় হিজরত করেন। মদীনায় স্থায়ীভাবে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং যুলুম ও সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধে মদীনায় বসবাসকারী অন্যান্য ধর্মাবলম্বী বিশেষত ইয়াহুদীদের সাথে তিনি এক শান্তিচুক্তি স¤পাদন করেন যা ইতিহাসে মদীনা সনদ নামে খ্যাত”-ইসলামী জীবন, “সন্ত্রাস নির্মূলে মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর শ্বাশ্বত কর্মসূচী”-মুহাম্মদ মুহিব্বুল্লাহ ভুঞা-দৈনিক ইনকিলাব ১৪ই সেপ্টেম্বর ২০০৮।
মদীনার রাষ্টীয় ও সামাজিক নেতৃত্বটা নবীজীরই ছিল, কিন্তু সেটা ছিল শান্তিচুক্তি-পারস্পরিক অঙ্গীকার ভিত্তিক, রাষ্ট্রীয় শাসণতান্ত্রিক নয়।
মদীনায় তখন মোটামুটি দশ হাজার লোকের বাস (ডঃ হামিদুল্লাহ- পৃঃ ১৩), আর মুসলমানের সংখ্যা দুশো’র মত -দ্য প্রসেস অব ইসলামিক রেভল্যুশন – মওদুদি, পৃঃ ৪২। অর্থাৎ অমুসলিমরা শতকরা আটানব্বই আর মুসলিমরা শতকরা মাত্র দুই। ওটা ঐ অমুসলিমদেরই ভিটেমাটি পৈতৃক জায়গা, ওরা আগে থেকে সুপ্রতিষ্ঠিত। সেই দশ হাজার লোক ও তাদের শক্তিশালী নেতারা নিজেদেরই দেশে বসে নিজেদেরই বিরুদ্ধে এই অপমানকর চুক্তিতে কেন রাজী হবে মাত্র দুশো জনের সাথে যার বেশির ভাগ বিদেশী? প্রশ্নই ওঠে না। ওরা নবীজীকে আল্লাহ’র রসুল বলেই মানেনি, তাঁর নেতৃত্ব মানবে কেন? নেতা কখনো নেতাগিরি ছাড়তে চায়?  ওদের নেতারা হঠাৎ করে সংখ্যালঘুর বিদেশী নেতার কাছে তাদের পুরনো নেতৃত্ব ছাড়বে কেন? তাছাড়া, কারো পক্ষেই নূতন দেশে গিয়ে প্রথমেই হঠাৎ করে পুরো একটা জাতির নেতৃত্ব ও শাসন শুরু করাটা অসম্ভব। ইসলামী শরীয়াহ অনুযায়ী সামাজিক শাসন নাবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অবশ্যই করেছিলেন তবে শুরুতেই নয় বরং কয়েক বছর সংগ্রামের পরে মদীনার এবং অন্যান্য অমুসলিম গোত্রগুলোকে তাঁর আওতায় এনে। 
মদীনা সনদ নামক শান্তিচুক্তি রাষ্ট্রীয় শাসণতন্ত্র বা সংবিধান হতে পারে না অনেক কারণে। যেমন:
(১) শাসণতন্ত্র বা সংবিধান তৈরিই হয় দুই বা বেশি পক্ষের আলোচনা-বিতর্ক করে। নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কোন পক্ষের সাথে, এমনকি কোন মুসলমানের সাথেও আলোচনা করেননি বরং আল্লাহ প্রদত্ত অধিকারবলে নিজে থেকে এককভাবে এটা তৈরি করেছিলেন।
(২) আলাপ-আলোচনা-বিতর্কের মাধ্যমে পরিবর্তনের সুযোগ না থাকলে সেটা শাসণতন্ত্র বা সংবিধানই নয়।
এ-চুক্তির ওপরে কি আলোচনা বা পরিবর্তনের সুয়োগ ছিল? না, ছিল না এবং চুক্তিতে কোন পরিবর্তন হয়ওনি।
(৩) শাসণতন্ত্র বা সংবিধান ক্রমাগত প্রয়োগ ও পরিমার্জন করতে হয়। নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ চুক্তি কি ক্রমাগত প্রয়োগ করেছিলেন? না, করেননি। মক্কা বিজয়ের পর করেছিলেন? না, করেননি।
(৪) চার খলীফারা কি সনদের ধারাগুলো হুবহু প্রয়োগ করেছিলেন? না, করেননি।
(৫) চৌদ্দশ’ বছরের মুসলিম খিলাফতে কি ওই ধারাগুলো হুবহু রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রয়োগ হয়েছে? না, হয়নি।
(৬) প্রয়োগ হয়নি কারণ ওটা বাতিল হয়েছিল। একতরফা ঘোষণায় চুক্তি বাতিল করা যায় কিন্তু আলোচনা ছাড়া সংবিধান বা শাসণতন্ত্র বাতিল করা যায় না। অমুসলিমরা এ-চুক্তি ভঙ্গ করলে “ওবাদা ইবনে সামিত (রাযিআল্লাহু আনহু) প্রমুখ সাহাবী প্রকাশ্যভাবে তাদের সাথে চুক্তি বিলোপ ও অসহযোগের কথা ঘোষণা করেন” মওলানা মুহিউদ্দিন খানের অনুদিত পবিত্র কোরআনুল করীম, পৃঃ ৩৩৬।
তাহলে ?
শাসণতন্ত্র এবং রাষ্ট্র দুটো শব্দই সাম্প্রতিক। কোন শব্দের জন্মের হাজার বছর আগে এভাবে শব্দটা প্রয়োগ করাটা কি উচিত? দুনিয়ায় ম্যালেরিয়ার আবির্ভাব হবার আগে কি আপনি কুইনিন আবিষ্কার করতে পারেন? আগুন আবিষ্কারের আগে কি রান্না করা সম্ভব? দাঁত ওঠার আগে কি চিবানো সম্ভব?
রাষ্ট্রের শাসণতন্ত্রে হাজারো নিয়মকানুন থাকতে হয়, ওই সনদে কয়টা আছে? ধারাগুলো পড়লে স্পষ্টই দেখা যায় কিছু ধারায় সামান্য কিছু অন্য উপাদান আছে কিন্তু মূলতঃ দলিলটা একটা পারস্পরিক শান্তিচুক্তি, প্রতিজ্ঞা বা অঙ্গীকার মাত্র। তাছাড়া ও ধরনের চুক্তি ওটাই প্রথম নয় – ইতিহাস ঘেঁটে দেখতে পারেন।

সংকলন ও সম্পাদনা: আবু যারীফ

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s