ওয়ালী বা ওলী শব্দটির অর্থ

ওয়ালী বা ওলী শব্দটির অর্থ

প্রিয়জন, বন্ধু, মালিক, অনুগত, শাসক,অভিভাবক বা কর্তা। (সূত্রঃ প্রসিদ্ধ আরবী-ইংরেজী অভিধান “আল মাওয়ারিদ” অনুসারে ওলী শব্দের অর্থঃ Guardian, Patron, Friend, Companion, Associate, Defender, Custodian)
ওলী শব্দটি একবচন, বহুবচনে আউলিয়া।
আল কোরআনে ওয়ালী শব্দের ব্যবহার :
কোরআনুল কারীমে ওয়ালী শব্দটি কয়েকটি অর্থে এক বচনে, ওয়ালী, ওয়ালীয়ান, ওয়ালিয়্যুকুম ওয়ালীয়্যুনা, ওয়ালিয়্যুহুম, ওয়ালীয়্যুহুমা এবং ওয়ালিয়্যি আকারে সর্বমোট ৪৪ বার ব্যবহৃত হয়েছে। আসুন এবার সেদিকে লক্ষ্য করা যাক।
১। ইরশাদ হয়েছে : তুমি কি জান না, আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর সার্বভৌমত্ব একমাত্র আল্লাহরই এবং আল্লাহ ছাড়া তোমাদের কোন অভিভাবক নাই এবং সাহায্যকারীও নাই। (সূরা বাকারাহ, আয়াত-১০৭, পারা-১, রুকু-১৩)। এই আয়াতে ওয়ালী শব্দটির অর্থ হচ্ছে অভিভাবক।
২। ইরশাদ হয়েছে : ইয়াহুদি ও খ্রিস্টানগণ তোমার প্রতি কখনো সন্তুষ্ট হবে না, যতক্ষণ না তুমি তাদের ধর্মাদর্শ অনুসরণ কর; বল, আল্লাহর পথনির্দেশই প্রকৃত পথনির্দেশ; জ্ঞানপ্রাপ্তির পর তুমি যদি তাদের খেয়ালখুশির অনুসরণ কর তবে আল্লাহর বিপক্ষে তোমার কোনো অভিভাবক থাকবে না এবং কোনো সাহায্যকারীও থাকবে না। (সূরা বাকারাহ, আয়াত-১২০, পারা-১, রুকু-১৪)। এই আয়াতেও ওয়ালী শব্দটির অর্থ হচ্ছে অভিভাবক।
৩। ইরশাদ হচ্ছে : যারা বিশ্বাস করে আল্লাহ তাদের অভিভাবক তিনি তাদের অন্ধকার হতে বের করে আলোকে নিয়ে যান; আর যারা কুফুরী করে তাগুত বা শয়তান তাদের অভিভাবক, এরা তাদের আলোক হতে অন্ধকারে নিয়ে যায়, এরাই অগ্নি-অধিবাসী, সেখানে তারা স্থায়ী হবে। (সূরা বাকারাহ, আয়াত-২৫০, পারা-৩, রুকু-৩৪)। এই আয়াতেও ওয়ালী শব্দের অর্থ অভিভাবক।
৪। ইরশাদ হয়েছে : যারা ইবরাহীমের অনুসরণ করেছিল তারা এবং এই নবী ও যারা মানুষের মধ্যে ঈমান এনেছে তারা ইবরাহীমের ঘনিষ্ঠতম, আল্লাহ মুমিনদের বন্ধু। (সূরা আলে ইমরান, আয়াত-৬৮, পারা-৩, রুকু-৭)। এই আয়াতে ওয়ালী শব্দের অর্থ বন্ধু।
৫। ইরশাদ হয়েছে : আপনি এই কোরআন দ্বারা তাদের ভয় প্রদর্শন করুন। যারা স্বীয় পরওয়ারদিগারের কাছে এমতাবস্থায় একত্রিত হওয়ার আশঙ্কা করে যে, তাদের কোনো সাহায্যকারী ও সুপারিশকারী হবে না, যাতে তারা তাকওয়া অর্জন করে। (সূরা আনয়াম, আয়াত-৫১, পারা-৭, রুকু-৬।) এই আয়াতে ওয়ালী শব্দের অর্থ হচ্ছে সাহায্যকারী, নুসরাতকারী।
৬। ইরশাদ হয়েছে : তাদেরকে পরিত্যাগ করুন। যারা নিজেদের ধর্মকে ক্রীড়া ও কৌতুকরূপে গ্রহণ করেছে এবং পার্থিব জীবন যাদের ধোঁকায় ফেলে রেখেছে; তাদের কোরআন দ্বারা উপদেশ দিন, যেন কেউ স্বীয়কর্মে এমনভাবে গ্রেফতার না হয়ে যায় যে, আল্লাহ ছাড়া তার কোনো সাহায্যকারী ও সুপারিশকারী নেই…। (সূরা আনয়াম, আয়াত-৭০, পারা-৭, রুকু-৮)। এই আয়াতে ওয়ালী শব্দের অর্থ সাহায্যকারী।
৭। ইরশাদ হয়েছে :…বস্তুত তারা যদি তাওবাহ করে নেয় তবে তাদের জন্য মঙ্গল হবে, আর যদি তা না মানে, তবে তাদের আল্লাহতায়ালা দুনিয়া ও আখেরাতে আযাব দেবেন, বেদনাদায়ক আযাব, সুতরাং বিশ্বচরাচরে তাদের জন্য কোনো সমর্থক ও সাহায্যকারী নেই। (সূরা তাওবাহ, আয়াত-৭৪, পারা-১০, রুকু-১০)। এই আয়াতে ওয়ালী শব্দের অর্থ সমর্থক অভিভাবক।
৮। ইরশাদ হয়েছে : নিশ্চয় আল্লাহর জন্য নভোম-ল ও ভূম-লে সা¤্রাজ্য, তিনিই জীবিত করেন এবং মৃত্যু ঘটান, আর আল্লাহ ছাড়া তোমাদের জন্য কোনো সহায় নেই এবং সাহায্যকারীও নেই। সূরা তাওবাহ, আয়াত-১১৬, পারা-১১, রুকু-১৪)। এই আয়াতে ওয়ালী শব্দের অর্থ সহায়।
৯। ইরশাদ হয়েছে : এমনিভাবেই আমি এই কোরআনকে আরবি ভাষায় নির্দেশরূপে অবতরণ করেছি। যদি আপনি তাদের প্রবৃত্তির অনুসরণ করেন আপনার নিকট জ্ঞান আসার পর তাহলে আল্লাহর কবল থেকে (বাঁচার জন্য) আপনার না কোনো সাহায্যকারী আছে, না কোনো রক্ষাকারী। (সূরা রাদ, আয়াত-৩৭, পারা-১৩, রুকু-৫)। এই আয়াতে ওয়ালী শব্দের অর্থ সাহায্যকারী।
১০। ইরশাদ হয়েছে : বলুন, সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর নিমিত্ত, যার না কোনো সন্তান আছে, না তার সার্বভৌমত্বে কোনো শরিক আছে এবং যিনিু দুর্দশাগ্রস্ত হন না, যার জন্য তার কোনো সাহায্যকারীর প্রয়োজন হতে পারে, সুতরাং আপনি তার মাহাত্ম্য বর্ণনা করতে থাকুন। (সূরা বানী ইসরাঈল, আয়াত-১১১, পারা-১৫, রুকু-১২)। এই আয়াতে ওয়ালী শব্দের অর্থ সাহায্যকারী।
১১। ইরশাদ হয়েছে : বলুন, তারা (আসহাবে কাহফ) কতকাল অবস্থান করেছে তা আল্লাহই ভালো জানেন, তারই কাছে রয়েছে নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের অদৃশ্য বিষয়ের জ্ঞান। তিনি কত চমৎকার দেখেন ও শোনেন; তিনি ছাড়া তাদের কোনো সাহায্যকারী নেই, তিনি নিজ আধিপত্যে কাউকে শরিক করেন না। (সূরা কাহফ, আয়াত-২৬, পারা-১৫, রুকু-৪) এই আয়াতে ওয়ালী শব্দের অর্থ সাহায্যকারী।
১২। ইরশাদ হয়েছে : তোমরা নভোম-লে ও ভূমন্ডলে আল্লাহকে অপারগ করতে পারবে না এবং আল্লাহ ছাড়া তোমাদের কোনো হিতাকাংখী নেই, সাহায্যকারীও নেই। (সূরা আনকাবুত, আয়াত-২২, পারা-২০, রুকু-৩)। এই আয়াতে ওয়ালী শব্দের অর্থ হিতাকাংখী।
১৩। ইরশাদ হয়েছে : আল্লাহ, যিনি নভোমন্ডল, ভূমন্ডল ও এতদুভয়ের মধ্যবর্তী সবকিছু ছয় দিনে সৃষ্টি করেছেন, তারপর তিনি আরশে বিরাজমান হয়েছেন, তিনি ছাড়া তোমাদের কোনো অভিভাবক ও সুপারিশকারী নেই, তারপরও কি তোমরা অনুধাবন করবে না? (সূরা সেজদাহ, আয়াত-৪, পারা-২১, রুকু-১)। এই আয়াতে ওয়ালী শব্দের অর্থ অভিভাবক।
১৪। ইরশাদ হয়েছে : পুণ্যকর্ম ও পাপকর্ম সমান নয়, তাই উৎকৃষ্ট পন্থায় প্রতিরোধ করুন, তখন দেখবেন আপনার সাথে যে ব্যক্তির শত্রুতা রয়েছে সে আপনার অন্তরঙ্গ বন্ধু হয়ে গেছে। (সূরা হা-মীম আসসিজদাহ বা ফুসসিলাত, আয়াত-৩৪, পারা-২৪, রুকু-৫)। এই আয়াতে ওয়ালী শব্দের অর্থ অন্তরঙ্গ বন্ধু।
১৫। ইরশাদ হয়েছে : ‘আল্লাহ ইচ্ছা করলে মানুষকে একই উম্মত করতে পারতেন বস্তুত তিনি যাকে ইচ্ছা তাকে স্বীয় অনুগ্রহের অধিকারী করেন জালিমদের কোন অভিভাবক নেই কোন সাহায্যকারী নেই।’ (সূরা শূরা : আয়াত ৮, পারা ২৫, রুকু ১) এই আয়াতেও ওয়ালী শব্দের অর্থ অভিভাবক।
১৬। ইরশাদ হয়েছে : ‘তারা কি আল্লাহর পরিবর্তে অপরকে অভিভাবকরূপে গ্রহণ করেছে, কিন্তু আল্লাহই তো একমাত্র অভিভাবক এবং তিনি মৃতকে জীবিত করেন, তিনি সকল বিষয়ে সর্বশক্তিমান।’ (সূরা শূরা : আয়াত ৯, পারা ২৫, রুকু ১)
১৭। ইরশাদ হয়েছে : ‘তারা যখন হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়ে, তখনই তিনি বৃষ্টি প্রেরণ করেন এবং তার করুণা বিস্তার করেন, তিনিই তো অভিভাবক প্রশংসাই।’ (সূরা শূরা : আয়াত ২৮, পারা ২৫, রুকু ৩) এই আয়াতে ওয়ালী শব্দের অর্থ অভিভাবক।
১৮। ইরশাদ হয়েছে : ‘তোমরা পৃথিবীতে আল্লাহর অভিপ্রায়কে ব্যর্থ করতে পারবে না, আল্লাহ ব্যতীত তোমাদের কোন বন্ধু নেই, সাহায্যকারীও নেই।’ (সূরা শূরা : আয়াত ৩১, পারা ২৫, রুকু ৪) এই আয়াতে ওয়ালী শব্দের অর্থ বন্ধু।
১৯। ইরশাদ হয়েছে : ‘আল্লাহ যাকে পথভ্রষ্ট করেন, তৎপর তার জন্য কোন বন্ধু বা অভিভাবক নেই, জালিমরা যখন শাস্তি প্রত্যক্ষ করবে, তখন তুমি তাদেরকে বলতে শুনবে, প্রত্যাবর্তনের কোন উপায় আছে কি? (সূরা শূরা : আয়াত ৪৪, পারা ২৫, রুকু ৫) এই আয়াতে ওয়ালী শব্দের অর্থ বন্ধু বা অভিভাবক।
২০। ইরশাদ হয়েছে : ‘আল্লাহর মুকাবিলায় তারা তোমার কোন উপকার করতে পারবে না, জালিমরা একে অপরের বন্ধু আর আল্লাহ তো মুত্তাকীদের বন্ধু।’ (সূরা জাছিয়া : আয়াত ১৯, পারা ২৫, রুকু ২) এই আয়াতে ওয়ালী শব্দের অর্থ বন্ধু।
এ পর্যায়ে আমরা ‘ওয়ালী’ একবচন শব্দটির ‘ওয়ালিয়ান’ আকারে আল কোরআনে এর ব্যবহারিক অর্থ জানার চেষ্টা করব। লক্ষ্য করলে দেখা যায় যে, ‘ওয়ালিয়ান’ আকারে আল কোরআনে এর ব্যবহারিক অর্থ জানার চেষ্টা করব। লক্ষ্য করলে দেখা যায় যে, ‘ওয়ালীয়ান’ আকারে এই শব্দটি কোরআনুল কারীমে সর্বমোট ১৩ বার ব্যবহৃত হয়েছে।
২১। ইরশাদ হয়েছে : আল্লাহ তোমাদের শত্রুদের ভালোভাবে জানেন। বন্ধুত্ব ও অভিভাবকত্বে আল্লাহই যথেষ্ট এবং সাহায্যকারী হিসেবে আল্লাহই যথেষ্ট। (সূরা নিসা : আয়াত ৪৫, পারা ৫, রুকু ৭)
২২। ইরশাদ হয়েছে : তোমাদের কি হলো যে, তোমরা আল্লাহর পথে অসহায় নর-নারী এবং শিশুগণের জন্য সংগ্রাম করবে না? যারা এই প্রার্থনা জানায়, হে আমাদের প্রতিপালক? এই জনপদ যার অধিবাসী জালেম, উহা হতে আমাদেরকে অন্যত্র নিয়ে যাও, আর তোমার নিকট হতে কাকেও আমাদের অভিভাবক কর এবং তোমার নিকট হতে কাকেও আমাদের সহায় কর। (সূরা নিসা : আয়াত ৭৫, পারা ৫, রুকু ১০)।
২৩। ইরশাদ হয়েছে : আর তোমরা তাদের (মুনাফিকদের) মধ্য হতে কাকেও বন্ধুও সহায়রূপে গ্রহণ করবে না। (সূরা নিসা : আয়াত ৮৯, পারা ৫, রুকু ১২)
২৪। ইরশাদ হয়েছে : আল্লাহর পরিবর্তে কেউ শয়তানকে অভিভাবক ও বন্ধুরূপে গ্রহণ করলে সে পত্যক্ষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। (সূরা নিসা : আয়াত ১১৯, পারা ৫, রুকু ১৮)
২৫। ইরশাদ হয়েছে : তোমাদের খেয়াল-খুশি ও কিতাবীদের খেয়াল অনুসারে কাজ হবে না, কেউ মন্দ কাজ করলে তার প্রতিফল সে পাবে এবং আল্লাহ ছাড়া তার জন্য কোন অভিভাবক ও সহায় পাবে না। (সূরা নিসা : আয়াত ১২৩, পারা ৫, রুকু ১৮)
২৬। ইরশাদ হয়েছে : যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে তিনি তাদেরকে পূর্ণ পুরস্কার দান করবেন এবং নিজ অনুগ্রহে আরও বেশি দেবেন কিন্তু যারা হেয় জ্ঞান করে ও অহংকার করে তাদেরকে তিনি মর্মন্তুদ শাস্তি দান করবেন এবং আল্লাহ ছাড়া তাদের জন্য তারা কোন অভিভাবক ও সহায় পাবে না। (সূরা নিসা : আয়াত ১৭৩, পারা ৬, রুকু ২৪)
তবে লক্ষ্যণীয় বিষয় হচ্ছে এই যে, সূরা নিসার উপরোল্লিখিত ৬টি আয়াতের অর্থ ও মর্মের প্রতি লক্ষ্য করলে দেখা যায় যে, সেগুলোতে ‘ওয়ালী’ শব্দটি অভিভাবক বা বন্ধু অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
২৭। ইরশাদ হয়েছে : বল, আমি কি আসমান ও যমীনের স্রষ্টা আল্লাহ ছাড়া অন্যকে অভিভাবক ও বন্ধুরূপে গ্রহণ করব? তিনিই জীবিকা দান করেন তাকে কেউ জীবিকা দান করেন না। (সূরা আনআম : আয়াত ১৪, পারা ৭, রুকু ২) এই আয়াতে ওয়ালী শব্দের অর্থ বন্ধু বা অভিভাবক।
২৮। ইরশাদ হয়েছে : “সাবধান! নিশ্চয়ই যারা আল্লাহর বন্ধু (আউলিয়া আল্লাহ), তাদের না কোন ভয় ভীতি আছে, না তারা চিন্তান্বিত হবে। (সূরা ইউনুস ১০:৬২) এই আয়াতে আউলিয়া শব্দের অর্থ বন্ধু।

আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: আল্লাহ্ তা’আলা বলেন: যে ব্যক্তি আমার অলীর সাথে শত্রুতা করে, আমি তার সাথে যুদ্ধ ঘোষণা করছি। আমার বান্দার প্রতি যা ফরয করেছি তা দ্বারাই সে আমার অধিক নৈকট্য লাভ করে। আমার বান্দা নফল কাজের মাধ্যমেও আমার নৈকট্য লাভ করতে থাকে। অবশেষে আমি তাকে ভালবেসে ফেলি। যখন আমি তাকে ভালবাসি, তখন আমি তার কান হয়ে যাই যা দিয়ে সে শোনে, তার চোখ হয়ে যাই যা দিয়ে সে দেখে, তার হাত হয়ে যাই যা দিয়ে সে ধরে এবং তার পা হয়ে যাই যা দিয়ে সে চলাফেরা করে। সে আমার কাছে কিছু চাইলে, আমি তাকে তা দেই। সে যদি আমার নিকট আশ্রয় কামনা করে, তাহলে আমি তাকে আশ্রয় দেই। আমি যা করার ইচ্ছা করি, সে ব্যাপারে কোন দ্বিধা-দ্বন্দ্বে ভূগি না কেবল মুমিনের আত্মার ব্যাপার ছাড়া। সে মৃত্যুকে অপছন্দ করে আর আমি তার মন্দকে অপছন্দ করি। [বুখারী শরীফ: ৬৫০২]

এই হাদীসে ওয়ালী শব্দের অর্থ বন্ধু।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s