ঈমানের ৭৭টি শাখা

ঈমানের ৭৭টি শাখা
-আবূ যারীফ

আবূ হুরাইরাহ (রাযিআল্লাহু আনহু) হতে বর্ণিত। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ঈমানের ষাটেরও অধিক শাখা আছে। আর লজ্জা হচ্ছে ঈমানের একটি শাখা। (মুসলিম ১/১২ হা/৩৫, মুসনাদে আহমাদ ৯৩৭২) (আপ্র-৮, ইফাবা-৮)
উবায়দুল্লাহ ইবনু সাঈদ ও আবদ ইবনু হুমায়দ (রহিমাহুল্লাহ) আবূ হুরায়রা (রাযিআল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ঈমানের শাখা সত্তরটিরও কিছু বেশি। আর লজ্জা ঈমানের একটি শাখা। (সহীহ মুসলিম ১/ কিতাবুল ঈমান, হাদিস:৫৯ ইফাবা)
যুহায়র ইবনু হারব (রহিমাহুল্লাহ) আবূ হুরায়রা (রাযিআল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ঈমানের শাখা সত্তরটিরও কিছু বেশি অথবা ষাটটিরও কিছু বেশি। এর সর্বোচ্চ শাখা হচ্ছে “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্” এ কথার সাক্ষ্য দেয়া, আর এর সর্বনিম্ন শাখা হচ্ছে-রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তু অপসারণ করা। আর লজ্জা ঈমানের বিশিষ্ট একটি শাখা। (সহীহ মুসলিম, ১/ কিতাবুল ঈমান, হাদিস:৬০)
আবূ হুরায়রা (রাযিআল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ঈমানের ষাট বা সত্তরের অধিক শাখা আছে। তার সাধারণ বা সর্বনিম্ন শাখা হচ্ছে রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তু অপসারণ করা। সর্বোচ্চ শাখা হল কালিমা লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু (আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নাই) বলা এবং লজ্জাশীলতাও ঈমানের একটি গুরুত্বপূর্ণ শাখা। আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ- আবূ খালিদ আহমার-ইবনু আজলান, (পুনঃরায়) আমর ইবনু রাফি-সাহল (সকলে) আবদুল্লাহ ইবনু দ্বীনার- আবূ সালিহ- আবূ হুরায়রা নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূত্রে (৫৭ নং হাদীসের) অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তাখরীজ কুতুবুত সিত্তাহ: বুখারী ৯, মুসলিম ৩৫/১-২, তিরমিযী ২৬১৪, নাসায়ী ৫০০৪-৬, আবূ দাঊদ ৪৬৭৬, আহমাদ ৭০৯৭, ৯৪১৭। তাহক্বীক্ব আলবানী: সহীহ। তাখরীজ আলবানী: সহীহাহ ১৭৬৯, ইবনু আবী শাইরাহ ২১/৬৭।
আবূ হুরাইরাহ (রাযিআল্লাহু আনহু) হতে বর্ণিত, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “ঈমানের সত্তর অথবা ষাটের বেশী শাখা রয়েছে। তার মধ্যে সর্বোত্তম (শাখা) ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ বলা এবং সর্বনিম্ন (শাখা) রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক জিনিস (পাথর, কাঁটা ইত্যাদি) অপসারণ করা। আর লজ্জা ঈমানের একটি শাখা।” (সহীহুল বুখারী ৯, মুসলিম ৩৫, তিরমিযী ২৬১৪, নাসায়ী ৫০০৪, ৫০০৫, ৫০০৬, আবূ দাউদ ৪৬৭৬, ইবনু মাজাহ ৫৭, আহমাদ ৯০৯৭, ৯৪১৭, ৯৪৫৫, ১০১৩৪, রিয়াযুস স্বালিহীন ১/ বিবিধ/হাদিস:১২৭)
হাদীসে ঈমানের সত্তরটিরও বেশি শাখার কথা বলা হয়েছে, এটা অধিক সংখ্যা বোঝাবার উদ্দেশ্যে। তাই হাদীস বিশারদগন ঈমানের শাখা বর্ননা করতে গিয়ে সর্বমোট ৭৭টি চিহ্নিত করেছেন। বুখারীর শরাহ গ্রন্থ উমদাতুল ক্বারী’র বাবু উমুরিল ঈমান অধ্যায়ে ঈমানের ৭৭টি শাখা উল্লেখ করা হয়েছে। ঈমানের এই ৭৭টি শাখাকে ৫টি ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে-
১। বিশ্বাস সম্পর্কিত— ৩০টি ।
২। মোখিক কর্ম সম্পর্কিত– ৭টি।
৩। দৈহিক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংশ্লিষ্ট– ১৬টি।
৪। নিকটবর্তী লোকদের অধিকার বিষয়ক– ৬টি।
৫। মানবজাতির অধিকার বিষয়ক– ১৮টি।

আক্বীদাহ বা আন্তরিক বিশ্বাস সম্পর্কিত ৩০টি শাখা হলো-
১। আল্লাহ তা‘আলার ওপর ঈমান রাখা। [সূরাহ হাশর, আয়াত : ২২, ২৩ ও ২৪] ২। আল্লাহ তা‘আলা ব্যতীত সবই মাখলুক বা আল্লাহ তা‘আলার সৃষ্টি-এর উপর ঈমান রাখা। [সূরাহ বাকারা, আয়াত : ২৯]
৩। ফেরেশতাগণের ওপর ঈমান রাখা। [হাওয়ালা : সূরাহ নাবা, আয়াত : ৩৮]
৪। আল্লাহর নাযিলকৃত কিতাবসমূহের ওপর ঈমান রাখা। [সূরাহ ইউসুফ, আয়াত : ২]
৫। আল্লাহর প্রেরীত নাবী ও রাসূলগণের ওপর ঈমান রাখা। [সূরাহ মু’মিন, আয়াত : ৭৮]
৬। আখিরাতের ওপর ঈমান রাখা। [সূরাহ মুমিনুন, আয়াত : ১১৫]
৭। আল্লাহ্ কর্তৃক নির্ধারিত তাক্বদীরের ওপর ঈমান রাখা। [সূরাহ ফুরকান, আয়াত : ২]
৮। জান্নাতের ওয়াদা ও জান্নাতে অনন্ত-অসীম কাল অবস্থান করা সম্পর্কে ঈমান রাখা। [সূরাহ নিসা, আয়াত : ১৩]
৯। জাহান্নাম ও জাহান্নামের আযাব সম্পর্কে ঈমান রাখা। [সূরাহ আ‘রাফ, আয়াত : ৪১]
১০। অন্তরে আল্লাহর মুহাব্বত রাখা। [সূরাহ আলে ইমরান, আয়াত : ৩১-৩২]
১১। কেবলমাত্র আল্লাহর জন্যই কারো সাথে বন্ধুত্ব রাখা এবং কারো সাথে শত্রুতা পোষণ করা। [মাজমাউয যাওয়াইদ, ১ম খণ্ড, ৪৮৫ পৃষ্ঠা]
১২। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে মুহাব্বত করা এবং তাঁর সুন্নাতকে ভালোবাসা। [সূরাহ আলে ইমরান, আয়াত : ১৩২]
১৩। ইখলাসের সাথে আমল করা। [সূরাহ আ‘রাফ, আয়াত : ২৯]
১৪। গুনাহ থেকে তাওবা করা। [সূরাহ বাকারা, আয়াত : ১৫৯-১৬০]
১৫। অন্তরে আল্লাহর ভয় রাখা। [সূরাহ বাকারা, আয়াত : ১৯৭]
১৬। আল্লাহ তা‘আলার রহমতের আশা পোষণ করা। [সূরাহ যুমার, আয়াত : ৫৩]
১৭। লজ্জাশীলতা বজায় রাখা। [মুসলিম, ১ম খণ্ড, ৪৭ পৃষ্ঠা]
১৮। নিয়ামতের শোকর আদায় করা। [সূরাহ বাকারা, আয়াত : ১৫২]
১৯। অঙ্গীকার পূর্ণ করা। [সূরাহ বনী ইসরাঈল, আয়াত : ৩৪]
২০। সবর বা ধৈর্য ধারণ করা। [সূরাহ আসর, আয়াত : ৩]
২১। তাওয়াযু বা নম্রতা অবলম্বন করা। [সূরাহ ফুরকান, আয়াত : ৬৩]
২২। দয়ার্দ্র ও স্নেহশীল হওয়া। [তিরমিজী, ২য় খণ্ড, ১৫ পৃষ্ঠা]
২৩। তাক্বদীর (আল্লাহ্ পাকের ফায়সালা)-এর ওপর সন্তুষ্ট থাকা। [মুসলিম, কিতাবুল কদর, ২য় খ-, ৩৩ পৃষ্ঠা]
২৪। তাওয়াক্কুল (আল্লাহর উপর পুরোপুরি নির্ভরশীলতা) অবলম্বন করা। [সূরাহ আলে ইমরান, আয়াত : ১৬০]
২৫। অহংকার না করা। [মুসলিম, ১ম খণ্ড, ৬৫ পৃষ্ঠা]
২৬। চোগলখুরী ও পরশ্রীকাতরতা পরিহার করা। [সূরাহ হজ্ব, আয়াত : ৭৭]
২৭। হাসাদ বা প্রতিহিংসা-বিদ্বেষ বর্জন করা। [বুখারী, ১ম খণ্ড, ১১৬ পৃষ্ঠা]
২৮। ক্রোধ দমন করা। [সূরাহ শূরা, আয়াত : ৩৭]
২৯। কুমতলব পরিহার বা অন্যের অনিষ্ট সাধন ও প্রতারণা না করা। [সহীহ মুসলিম, ১ম খণ্ড, ৭০ পৃষ্ঠা]
৩০। দুনিয়ার প্রতি অধিক আকর্ষণ, মায়া-মুহাব্বত পরিহার করা। [বুখারী, ২য় খণ্ড, ৯৪৯ পৃষ্ঠা]

মোখিক কর্ম সম্পর্কিত– ৭টি।
৩১। কালিমা (লা-ইলাহা-ইল্লাল্লাহু) পড়া। [মুসলিম, ১ম খণ্ড, ৪৭ পৃষ্ঠা]
৩২। কুরআন মাজীদ তিলাওয়াত করা। [সহীহ মুসলিম ১ম খণ্ড, ২২০ পৃষ্ঠা]
৩৩। দ্বীনী ইলম শিক্ষা করা। [বুখারী, ১ম খণ্ড, ১৬ পৃষ্ঠা]
৩৪। দ্বীনী ইলম শিক্ষা দেওয়া। [সুনানে ইবনে মাজাহ, ১৯ পৃষ্ঠা]
৩৫। আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করা। [জামে‘ তিরমিজী, ২য় খণ্ড, ৬৬ পৃষ্ঠা]
৩৬। আল্লাহর যিকির করা। [বুখারী ২য় খণ্ড, ৯৪৮]
৩৭। বেহুদা, অনর্থক, ফাহেশা কথা ও কাজ থেকে নিজকে রক্ষা করা। [সূরাহ শূরা, আয়াত: ৩৭]

দৈহিক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংশ্লিষ্ট– ১৬টি।
৩৮। পবিত্রতা, শরীর ও পোষাকের পাক-সাফ ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা। [জামি‘ তিরমিজী, ২য় খণ্ড, ১০৭ পৃষ্ঠা]
৩৯। সালাত কায়িম করা। [সূরাহ মুজ্জাম্মিল, আয়াত : ২০]
৪০। যাকাত আদায় দেয়া। [সূরাহ মুজাম্মিল, আয়াত : ২০]
৪১। সিয়াম পালন করা। [সূরাহ বাক্বারা, আয়াত : ১৮৫]
৪২। হজ্জ ও ‘উমরা করা। [রাহ আলে ইমরান, আয়াত : ৯৭]
৪৩। ই‘তিকাফ করা। [সহীহ মুসলিম, ১ম খণ্ড, ৩৭১ পৃষ্ঠা]
৪৪। নিজ ঈমানের হিফাযতের জন্য ফিতনার স্থান ত্যাগ করা তথা হিজরত করা। [সূরাহ বাকারা, আয়াত: ২১৮]
৪৫। জায়েয বিষয়ে মান্নত পুরণ করা। [বুখারী, ২য় খণ্ড, ৯৯১ পৃষ্ঠা]
৪৬। কসম রক্ষা করা। [সূরাহ মায়িদা, আয়াত: ৮৯]
৪৭। কাফফারা আদায় করা। [সূরাহ মায়িদা, আয়াত : ৯৫]
৪৮। কুরবানী করা। [সূরাহ কাউসার, আয়াত : ২]
৪৯। সতর ঢেকে রাখা। [জামি‘ তিরমিজী, ২য় খণ্ড, ১০৭ পৃষ্ঠা]
৫০। মৃত মুসলিম ব্যক্তির কাফন-দাফনের ব্যবস্থা করা। [বুখারী, ১ম খণ্ড, ২৩০ পৃষ্ঠা]
৫১। ঋণ পরিশোধ করা। [সূরাহ বাকারা, আয়াত: ২৮২]
৫২। ব্যবসা-বাণিজ্যে সততা বজায় রাখা। [জামি‘ তিরমিজী, ১ম খণ্ড, ২৩০]
৫৩। সত্য সাক্ষ্য দেয়া। [সূরাহ বাকারা, আয়াত: ২৮৩]

নিকটবর্তী লোকদের অধিকার বিষয়ক– ৬টি।
৫৪। বিবাহের দ্বারা চরিত্র তথা চারিত্রিক পবিত্রতা রক্ষা করা। [সূরাহ মুমিনুন, আয়াত:৫-৬]
৫৫। পরিবারবর্গের হক্ব আদায় করা। [তিরমিজী, ২য় খণ্ড, ১৮ পৃষ্ঠা]
৫৬। পিতা-মাতার প্রতি ইহসান করা, তাদের খিদমত করা। [সূরাহ নিসা, আয়াত: ৩৬]
৫৭। ইসলামী শরীয়াহ মুতাবিক সন্তান লালন-পালন করা। [সূরাহ তাহরীম, আয়াত: ৬]
৫৮। আত্মীয়-স্বজনের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখা। [মুসলিম, ২য় খণ্ড, ৩১৪ পৃষ্ঠা]
৫৯। মনিবের আদেশ পালন করা (এ শাখাটি গোলামের জন্য)। [সূরাহ নিসা, আয়াত : ৫৯]

মানবজাতির অধিকার বিষয়ক– ১৮টি।
৬০। শাসক হলে ন্যায়বিচার ও ইনসাফ করা। [সূরাহ মায়িদাহ,আয়াত: ৪২]
৬১। মুসলিম জামাআতের অনুসরণ করা তথা তাদের সাথে ঐক্যবদ্ধ থাকা। [সূরাহ বাকারা, আয়াত : ২৪৪]
৬২। মুসলিম শাসক, রাষ্ট্র প্রধান, আমীরের আনুগত্য করা (তবে শরীয়াহ বিরোধী কোন নির্দেশ মানা যাবে না)। [সূরাহ নিসা, আয়াত : ৫৯]
৬৩। দু’পক্ষের কলহ মিটিয়ে দেয়া, বিশৃংখলা সৃষ্টিকারীদের দমন করা। [সূরাহ হুজুরাত, আয়াত: ৯,১০]
৬৪। সৎ কাজের আদেশ করা। [সূরাহ তাওবা, আয়াত : ৭১]
৬৫। সৎ ও নেক কাজে পরস্পরে সাহায্য-সহযোগীতা করা। [সূরাহ মায়িদা, আয়াত: ২]
৬৬। অসৎ ও অন্যায় কাজে বাধা দেয়া। [সূরাহ তাওবা, আয়াত: ৭১]
৬৭। হদ বা ইসলামী দন্ড-বিধি বাস্তবায়ন করা। [সুনানে ইবনে মাযাহ, ১৮২ পৃষ্ঠা]
৬৮। আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করা অর্থাৎ দ্বীনের বিধি-বিধান প্রতিষ্ঠা করার জন্য সাধ্য মুতাবিক চেষ্টা করা। [সহীহ মুসলিম, ১ম খণ্ড, ৫১ পৃষ্ঠা]
৬৯। আমানতদারী রক্ষা করা। [সূরাহ মুমিনুন, আয়াত : ৮]
৭০। মানুষকে কর্জে হাসানা দেয়া। [সূরাহ হাদীদ, আয়াত : ১১]
৭১। পাড়া-প্রতিবেশীর হক্ব আদায় করা এবং তাদের সাথে সদ্ব্যবহার করা। [বুখারী, ২য় খণ্ড, ৯৫৯ পৃষ্ঠা]
৭২। অর্থ-সম্পদের সদ্ব্যবহার করা। [সূরাহ আ‘রাফ, আয়াত: ৩১]
৭৩। সালামের উত্তর দেয়া। [সূরাহ নিসা, আয়াত : ৮৬]
৭৪। হাঁচি দাতার আলহামদু লিল্লাহ’র জবাবে য়্যারহামুকাল্লাহ্ বলা। [সহীহ বুখারী, ১ম খণ্ড, ১৬৬ পৃষ্ঠা]
৭৫। মানুষকে কোন প্রকার কষ্ট না দেয়া। [সহীহ বুখারী, ১ম খণ্ড, ৬ পৃষ্ঠা]
৭৬। অবৈধ খেলাধুলা ও রঙ-তামাশা পরিহার করা। [সূরাহ মায়িদা, আয়াত: ৯০]
৭৭। রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক জিনিস সরিয়ে ফেলা। [সহীহ মুসলিম, ১ম খণ্ড,৪৭ পৃষ্ঠা]

উল্লখিত বিষয়গুলর উপর ঈমান পোষণ করেই একজন মানুষ প্রকৃত মু’মিন হয়ে উঠে এবং জীবনের সর্বস্তরে উন্নতি, অগ্রগতি, মর্যাদাবোধ, সত্যের সন্ধান এবং সঠিক আমলের মাধ্যমে জীবনের পরিপূর্ণতা লাভ করে এবং শান্তি ও প্রশান্তিময় জীবন লাভ করে দুনিয়া ও আখিরাতে।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s